টাকার অভাবে পলকের মামলা লড়তে পারছি না

নিলয় মাহমুদ,ঢাকা : গত ১৮ আগস্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকা হতে আত্মগোপনে থাকাবস্থায় সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেফতার করে পুলিশ।
রাজধানীর পল্টন থানার মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল,এরপর কয়েক দফা রিমান্ড শেষে এখন জেল হাজতে রয়েছেন পলক।
আজ ১৮ অক্টোবর মুফাসসিল ইসলামের ইউটিউবে চ্যানেলে পলকের স্ত্রী আরিফা জেসমিন কণিকার ৩৭ মিনিটের একটি সাক্ষাৎকার প্রচার হয়।
উপস্থাপক প্ৰশ্ন করেন: আপনাদের তো অনেক টাকা,অভিযোগ আছে আপনারা তো প্রচুর টাকা নিয়ে বাংলাদেশে বা বিদেশে চলে গেছেন,প্রচুর টাকা আপনারা আত্মসাৎ করেছেন,আপনাদের তো ভালো থাকার কথা,মন্ত্রিত্ব চলে গেলে ও তো আপনাদের খারাপ থাকার কথা না।
জবাবে কণিকা বলেন: অভিযোগ যে কেউ করে পারে,যে কারো নাম করতেই পারে,কিন্তু আমাদের দেশের বাহিরে পলক এবং তার পরিবারের বাড়ি গাড়ি টাকা পয়সা সম্পদ কিছুই নেই,কোনো কিছুই নেই এটি বাংলাদেশ সরকার তদন্ত করছে,বিভিন্ন জায়গায় শুনছি চিঠি পত্র দিয়েছেন, নিশ্চয়ই জানতে পারবে। বিদেশে না শুধু বাংলাদেশে ও ট্যাক্স এর বাহিরে আমাদের কিছু নেই।
পৈতৃক সূত্রে ৯৩ সালে পলক নাবালক থাকা অবস্থায় তার বাবা তাকে ২৭ বিঘা জমি দিয়েছিলেন,আর নাটোর ও সিঙ্গাইরে বাড়ি ও ৯৩ সালে বাবার কাছে থেকে পেয়েছিলেন,পলকের স্ত্রী দাবি করেন পৈতৃক সূত্রে সে সম্পত্তি পলক পেয়েছিলেন এখন তা ও তার নেই,সবগুলো সে রাজনৈতিক কাজে ব্যয় করেছেন ।
কয়েক দফা মন্ত্রী থাকার পরে ও সম্পদ বাড়েনি,এখন শুধু একটি পৈতৃক বাড়ি ও সামান্য ৭-৮ বিঘা জমি আছে,সাথে এমপি কোটায় পাওয়া প্লট ও গাড়ি আছে।
এমপি থেকে মন্ত্রী হওয়ার পর পলকের সম্পদ বেড়েছে কয়েকগুন,এছাড়া ও স্ত্রীর নামে পলক কোটি কোটি টাকা জমা রেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে কণিকা বলেন এসব মিথ্যা,কোথায় এত সম্পদ,আমি ও নাকি টিউশনি করে ২০ টা প্লাট করেছি ,কোথায় এগুলা মিডিয়া আমাকে দেখাক।
আর এগুলা যদি থাকতো তাহলে এখন তার মামলা চালানোর জন্য খরচ যোগান আমার নেই,আমার ৮২ বছরে বৃদ্ধ শাশুড়ি,৫২ বছরের প্রতিবন্ধী ননদ,আমার ৩ সন্তান,তাদের কে ৩ বেলা খাবারের চিন্তা আমার করতে হচ্ছে,তাদের লেখাপড়া টিউশনি করানো ক্ষমতা আমার নেই,কোথায় আছে সেই সম্পত্তি আমি জানতে চাই।
এছাড়া ও অনুষ্ঠানে পলক কে নিয়ে আরো বেশ কিছু অভিযোগ ও প্রশ্নের উত্তর দেন আরিফা জেসমিন কণিকা।





