সৌদিতে বাংলাদেশী প্রবাসী কামরুল কে গুলি করে হত্যা, পরে সৌদি কিশোরের আত্মহত্যা

সৌদি আরবের তায়েফে কামরুল জামান নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে এক সৌদি নাগরিক। হত্যাকাণ্ডের পর ওই সৌদি তরুণ নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন বলে জানা গেছে। নিহত সৌদি নাগরিকের বয়স আনুমানিক ১৬ বছর।
রোববার (৩০ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে সৌদি আরবের তায়েফের হাওয়াইয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কামরুল জামান তার কর্মস্থল একটি সুপার মার্কেটের ডিউটি শেষ করে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। হঠাৎ ওই সৌদি তরুণ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
প্রাণ বাঁচাতে কামরুল দৌড়ে কর্মস্থল সুপার মার্কেটের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় সেখানে কর্মরত অন্য দুই কর্মী আতঙ্কে পালিয়ে যান। পরে হামলাকারী সুপার মার্কেটের ভেতরে ঢুকে কামরুলকে পরপর তিন রাউন্ড গুলি করে বলে জানা গেছে।
এরপর ওই সৌদি তরুণ নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন।
কামরুলের পাশের একটি ফার্মেসিতে কর্মরত এক বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী ঘটনাটির এসব তথ্য জানান। এছাড়া নিহত কামরুল জামানের বোনজামাই একরামুল হকও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তবে কী কারণে কামরুল জামানের ওপর এই হামলা ও হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।
নিহত কামরুল জামানের বাবা খোরশেদ আলম। তার বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে। দেশে তার স্ত্রী ও দুই পুত্র সন্তান রয়েছে।
পরিবারের জীবিকার তাগিদে প্রায় আড়াই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান কামরুল জামান। তার আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে দেশে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।





