লিবিয়া থেকে আরও ১৭০ জন বাংলাদেশিকে প্রত্যাবাসন।

বাংলাদেশ দূতাবাস, ত্রিপলী-এর ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর সহযোগিতায় লিবিয়া থেকে আরও ১৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত নাগরিকগণ বুরাক এয়ারের ফ্লাইট নং UZ222 যোগে আজ ২৫ মে ২০২৬ তারিখ সকাল ৫ টায় ঢাকায় পৌঁছান ।
প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ত্রিপলী হতে ৬২ জন এবং বেনগাজী হতে ১০৮ জন রয়েছেন। তারা লিবিয়ায় বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে অবস্থান করছিলেন। এছাড়াও তাদের মধ্যে ১৬ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।
ত্রিপলী থেকে প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে গত ২০ এপ্রিল দূতাবাসের প্রচেষ্টায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজত হতে মুক্ত হওয়া ৩৭ জন বাংলাদেশি নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
২৩ মে ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ দূতাবাস, ত্রিপলী প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোঃ হাবীব উল্লাহ প্রত্যাবাসিত নাগরিকদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এসময় দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) এবং প্রথম সচিব (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি ও মানবপাচারের ভয়াবহতা সম্পর্কে সকলকে সচেতন করেন এবং দেশে ফিরে মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দূতাবাস, ত্রিপলী বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ও স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ৩১ মে ২০২৬ তারিখে তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে আরও ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলছে।





